Showing posts with label চট্টগ্রাম. Show all posts
Showing posts with label চট্টগ্রাম. Show all posts
Thursday, November 20, 2014
রোটারি ক্লাব অব গ্রেটার চিটাগাং এর গুণীজন সম্মাননা
রোটারি ক্লাব অব গ্রেটার চিটাগাং ১৪
নভেম্বর অভিষেক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত সহসভাপতি ও
চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন ও
প্রবীণ সমাজসেবী আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম চট্টগ্রাম–এর সাধারণ সম্পাদক ও শফি
মোটরস লি.–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শফিকে সংবর্ধনা দিয়েছে। এতে
প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

>>রোটারি ক্লাব অব গ্রেটার চিটাগাংয়ের গুণীজন সম্মাননায় আ জ ম নাছির উদ্দিনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামন চৌধুরী
ক্লাবের
চার্টার প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এম আমিনুজ্জামান
ভূঁইয়া, সুফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এম এ আউয়াল, আবদুল আহাদ,
অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্নর চৌধুরী ফখরুজ্জামান, হারুন উর রশীদ, রোটারি ক্লাব
অব গ্রেটার চিটাগাংয়ের সভাপতি আমিন উল্লাহ, সহসভাপতি মহসিন জামাল, এমদাদুল
আজিজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর প্রমুখ।
সংবর্ধনার জবাবে আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনে ভূমিকা রাখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে নতুন নতুন ক্রীড়াবিদ জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে পারে সেই লক্ষে্য কাজ করে যাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি
সংবর্ধনার জবাবে আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনে ভূমিকা রাখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন ইভেন্টে নতুন নতুন ক্রীড়াবিদ জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে পারে সেই লক্ষে্য কাজ করে যাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি
Thursday, November 13, 2014
১৫৭তম হাবিলদার রজব আলী দিবস পালিত
১৮৫৭ সালে ভারত বর্ষের স্বাধীনতা কামী দেশীয় সিপাহী বিদ্রোহের মহানায়ক
হাবিলদার রজব আলী খাঁ এর সেই ১৮৫৭ সালের ১২ নভেম্বর চট্টগ্রামের ৩৪ বেঙ্গল
রেজিমেন্ট এর এদেশীয় সৈনিকদের ব্রিটিশ সম্রাজ্যর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা
করেন।

সেই দিবসের ১৫৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১২ নভেম্বর হাবিলদার রজব আলী দিবস স্মরণে
এক আলোচনা সভা চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের উদ্যোগে সন্ধ্যায়
চকবাজারস্থ মাওলানা হাসান শরীফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম ইতিহাস
চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীন এর সভাপতিত্বে এই সভায় প্রধান
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিাবিদ অধ্যক্ষ ড. মোঃ সানাউল্লাহ আলোচনায়
অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক ওচমান জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক সিহাব ইকবাল, সাংবাদিক
নিজাম উদ্দিন, ডা. আর.কে রুবেল, ডা. বরুন কুমার আচার্য্য বলাই, অধ্যাপক
দিদারুল ইসলাম, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন হারুন, ইঞ্জিনিয়ার নুর হোসেন, ইমরান
সোহেল, অমর দত্ত, বিজয় চক্রবর্তী, মামুনুর রশীদ, ডি.কে ঘোষ, সৈয়দ জামাল হক
প্রমূখ। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য ড. অধ্য মোঃ সানাউল্লাহ বলেছেন
হাবিলদার রজব আলী খাঁ চট্টগ্রামের ইতিহাসে কালজয়ী মনিষী ও ভারতীয় মহান
স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রাতঃ স্মরণীয় যোদ্ধা ১৮৫৭ সালে ভারত বর্ষে সিপাহী
বিদ্রোহে তার অবদান অপরিসীম। ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ নবাব
সিরাউদৌলার পরাজয় ও হত্যার মধ্যে দিয়ে বাংলার শাসন মতা দখল করে নেয় ইস্ট
ইন্ডিয়া কোম্পানী। পরবর্তীতে সমগ্র ভারত বর্ষ ইংরেজদের করলঘাত হয়। ভারত
বর্ষের অপার সম্পদ লুট করে নিয়ে যায় ইংরেজরা। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে
স্বাধীনতা হারানোর মর্ম বেদনা ভূলতে পারেনি স্বাধীনতা কামী ভারত বর্ষ। এর
শত বছর পর ১৮৫৭ সালে পরিকল্পিত ভাবে চট্টল বীর সন্তান হাবিলদার রজব আলী
ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সূচনা করেন। ১৮৫৭ সালের ১২ নভেম্বর হাবিলদার
রজব আলী চট্টগ্রামের ৩৪নং দেশীয় পদাতিক বাহিনীর ২, ৩ ও ৪ নং কোম্পানীর চার
শতাধিক সিপাহী সহ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মহা সংগ্রামে স্বাধীনতার জন্য জড়িয়ে
পড়েন। ঐ সময় আতঙ্কিত ব্রিটিশ সৈন্যরা সমুদ্রে জাহাজে আশ্রয় নেন। তখন
চট্টগ্রাম প্রায় ত্রিশ ঘন্টা ব্রিটিশ শাসন মুক্ত ছিল। বক্তারা ১৮৫৭ সালের
১২ নভেম্বরের ঐতিহাসিক হাবিলদার রজব আলী ও তাঁর সিপাহী বিদ্রোহের ঐতিহাসের
জাতীয় পাঠ্য পুস্তকে অন্তরভুক্তির দাবী জানান।
Wednesday, November 12, 2014
একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একদিনের সফরে
চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। বুধবার সকাল সোয়া ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী
বিশেষ হেলিকপ্টর চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবতরণ করে। তিনি সেনাবাহিনীর ৩৪, ৩৬ ও
৩৮ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে জনসেবা ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায়
ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী একই সময়
সেনাবাহিনীর তিন ব্যাটেলিয়নের অধিনায়কদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেবেন।
এর পর প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ বন্দরনগরীর দীর্ঘতম ফাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন। ৪৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ হাজার দুইশ’ মিটার দৈর্ঘের এ ফাইওভারটি নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত হয়েছে ম্যাক্স র্যাঙ্কিন জেভি।
এর পর প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ বন্দরনগরীর দীর্ঘতম ফাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন। ৪৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ হাজার দুইশ’ মিটার দৈর্ঘের এ ফাইওভারটি নির্মাণ কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত হয়েছে ম্যাক্স র্যাঙ্কিন জেভি।

সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপরে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ১২ নভেম্বর শুরু হয়ে এই ফাইওভারটির নির্মাণ কাজ ২০১৬ সালের মধ্যে শেষ হবে। নগরীর যানজট নিরসন ও এশিয়ান হাইওয়ের সাথে যুক্ত হতে ২০১২ সালের ২ জানুয়ারি মুরাদপুর, ২ নাম্বার গেট ও জিইসি পর্যন্ত ফাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, পরে পরামর্শক উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান ডিডিসি, এসএসআরএম, ডিপিএম, কেভির পরামর্শক্রমে ফাইওভারের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে লালখানবাজর পর্যন্ত নেয়া হয়। ফাইওভারের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর ফলে একশ’ ৫০ কোটি ৭০ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়ে বর্তমানে এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি টাকা। ফাইওভারটি মুরাদপুর থেকে ২ নাম্বার গেট হয়ে বায়েজিদ ও ২ নাম্বার গেট থেকে জিইসি- ওয়াসা হয়ে লালখান বাজারে শেষ হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আগামীতে চট্টগ্রাম হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে আধুনিক শহর। এই ফাইওভারটি নির্মিত হলে চট্টগ্রামে আর যানজট থাকবে না। শহরের মূল মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপ প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
Sunday, October 19, 2014
কক্সবাজার থেকে থাইল্যান্ড : দাস ব্যবসার নতুন রুট
থাইল্যান্ডের টাকুয়া পা শহরে স্থানীয় সরকারের এক ভবনে এখন আশ্রয় নিয়েছে ৮১ মানুষ। নির্যাতনে ক্ষত-বিক্ষত অনেকের শরীর। তাদের চোখের দৃষ্টিতে শূন্যতা। যে ভয়ঙ্ককর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে তারা গেছে, সেকথা বলতে গিয়ে গাল বেয়ে নামে চোখের পানি। অনেকেরই ভাবনা জুড়ে বাংলাদেশে ফেলে আসা পরিবার। এদের সবার কাহিনী প্রায় একই রকম। আবদুর রহিমের বয়স ১৮। বন্দী অবস্থায় আরেকটু খাবার চাওয়ায় তার ওপর চড়াও হয়েছিল অপহরণকারীরা। আঘাত সারেনি এখনো, খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয় তাকে।

>> আবসার মিয়া : সারাক্ষণ ভাবি কখন বাড়ি ফিরতে পারবো
আবসার মিয়া : সারাক্ষণ ভাবি কখন বাড়ি ফিরতে পারবো
আবসার মিয়া : সারাক্ষণ ভাবি কখন বাড়ি ফিরতে পারবো
আবসার মিয়া : সারাক্ষণ ভাবি কখন বাড়ি ফিরতে পারবো
আবদুর রহিমের বাড়ি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা বগুড়ায়। কাজ খুঁজতে গিয়েছিল ঢাকায়। সেখানে এক লোক তাকে ভালো বেতনে একটা চাকুরির প্রস্তাব দেয়। ঐ লোকের সঙ্গে আবদুর রহিম কক্সবাজার এসে পৌঁছায়। একটা পাহাড়ের উপরে একটা ছোট বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে তাকে বেঁধে রাখা হয়। মাদক দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। জ্ঞান ফেরার পর আবদুর রহিম নিজেকে আবিস্কার করে এক নৌকায়। সাগরে এই নৌকায় সাত-আটদিন কেটেছে আবদুর রহিমের। তাকে বেদম পেটানো হয়। এরপর তাদের নেয়া হয় থাইল্যান্ডের উপকূলে। সেখানে উপকূলের ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর বন্দী শিবিরে আটকে রাখা হয়। আবসারের কাহিনিও একই। তাকেও চাকুরি প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। টেকনাফে এক পাহাড়ের ধারে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। মুখে কাপড় গুঁজে দেয়া হয়। এরপর মারধোর করে নৌকায় তোলা হয়। আইয়ুব ছিলেন চট্টগ্রামের দিনমজুর। কাজ খুঁজতে থাকায় এক লোক তাকে কক্সবাজার যাওয়ার পরামর্শ দেয়। একইভাবে তাকেও সেখানে অপহরণ করে নৌকায় তোলা হয়। নৌকায় আইয়ুব বার বার জানতে চেয়েছেন, তাকে কোথায় নেয়া হচ্ছে। তখন সেখানে অপহরণকারীরা তাকে হুমকি দেয়, মুখবন্ধ না রাখলে তাকে হত্যা করা হবে।
জঙ্গলের বন্দী শিবির
এই লোকগুলো যে শেষ পর্যন্ত থাইল্যান্ডের জঙ্গলের বন্দীশিবির থেকে মুক্তি পেয়েছেন, তার নেপথ্য নায়ক স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রধান মানিট পিয়ানথিয়ং। থাইল্যান্ডের টাকুয়া পা উপকূলজুড়ে মানবপাচার চক্রের তৎপরতা সম্পর্কে ভালোই জানেন তিনি। মিস্টার পিয়নথিয়ং জানান, এই চক্রকে নির্মূল করার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। এজন্যে স্থানীয়দের সাহায্য চাইছেন তারা। বাংলাদেশিদের এই বড় গ্রুপটির অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয়রাই তাকে সতর্ক করেছিল। প্রথম গ্রুপে তারা উদ্ধার করেন ৩৭ জন। গত ১১ই অক্টোবর উদ্ধার করেন ৫৩ জনকে। আর এবার সর্বশেষ অভিযানে উদ্ধার করেছেন ৮১জনকে। যারা এদের আটকে রেখেছিল তাদের দুজনও ধরা পড়েছে। এদের একজনকে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশিরা সবচেয়ে নিষ্ঠুর বলে বর্ণনা করেছেন। তার নাম কেকে। বন্দী এই বাংলাদেশিদের জঙ্গলের ভেতর একটা শিবির থেকে আরেকটা শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যাতে তাদের অবস্থান গোপন রাখা যায়। মিস্টার পিয়নথিয়ং এর ধারণা, এদের দাস হিসেবে বিক্রির পরিকল্পনা চলছিল।
একালের ক্রীতদাস
থাইল্যান্ডের আন্দামান উপকূলে গত কয়েক বছর ধরে দেখা গেছে মানুষের নির্যাতন-লাঞ্ছনার ভয়ঙ্কর সব দৃশ্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূলত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীরাই এর শিকার হয়েছেন। ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী রোহিঙ্গা শরণার্থী বোঝাই নৌকা টেনে নিয়ে ছেড়ে দিয়ে আসছিল সাগরের মাঝখানে। এসব নৌকা স্রোতের টানে ভাসতে ভাসতে চলে গেছে বিভিন্ন দিকে। শত শত মানুষ সাগরে ডুবে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হয়। আর অতি সম্প্রতি থাই পুলিশ এবং সামরিক সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে যে তারা থাইল্যান্ডের উপকূলে এসে পৌঁছানো রোহিঙ্গাদের বিক্রি করে দিয়েছে মানব পাচারকারীদের কাছে। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন সরকার এই মানব পাচারকারীদের দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিভিন্ন সময়। কিন্তু আন্দামান উপকূলের কাছে থাই জঙ্গলের বন্দী শিবির থেকে ১৭১ জনকে উদ্ধারের ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল এই সমস্যা এখনো কতটা প্রকট। সুযোগ পেয়ে রোহিঙ্গাদের শোষণ-নির্যাতনের মাধ্যমে যার শুরু, তা এখন এক সুসংগঠিত দাস ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
সূত্র : বিবিসি।
জঙ্গলের বন্দী শিবির
এই লোকগুলো যে শেষ পর্যন্ত থাইল্যান্ডের জঙ্গলের বন্দীশিবির থেকে মুক্তি পেয়েছেন, তার নেপথ্য নায়ক স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রধান মানিট পিয়ানথিয়ং। থাইল্যান্ডের টাকুয়া পা উপকূলজুড়ে মানবপাচার চক্রের তৎপরতা সম্পর্কে ভালোই জানেন তিনি। মিস্টার পিয়নথিয়ং জানান, এই চক্রকে নির্মূল করার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। এজন্যে স্থানীয়দের সাহায্য চাইছেন তারা। বাংলাদেশিদের এই বড় গ্রুপটির অবস্থান সম্পর্কে স্থানীয়রাই তাকে সতর্ক করেছিল। প্রথম গ্রুপে তারা উদ্ধার করেন ৩৭ জন। গত ১১ই অক্টোবর উদ্ধার করেন ৫৩ জনকে। আর এবার সর্বশেষ অভিযানে উদ্ধার করেছেন ৮১জনকে। যারা এদের আটকে রেখেছিল তাদের দুজনও ধরা পড়েছে। এদের একজনকে মুক্তি পাওয়া বাংলাদেশিরা সবচেয়ে নিষ্ঠুর বলে বর্ণনা করেছেন। তার নাম কেকে। বন্দী এই বাংলাদেশিদের জঙ্গলের ভেতর একটা শিবির থেকে আরেকটা শিবিরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যাতে তাদের অবস্থান গোপন রাখা যায়। মিস্টার পিয়নথিয়ং এর ধারণা, এদের দাস হিসেবে বিক্রির পরিকল্পনা চলছিল।
একালের ক্রীতদাস
থাইল্যান্ডের আন্দামান উপকূলে গত কয়েক বছর ধরে দেখা গেছে মানুষের নির্যাতন-লাঞ্ছনার ভয়ঙ্কর সব দৃশ্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূলত মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীরাই এর শিকার হয়েছেন। ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী রোহিঙ্গা শরণার্থী বোঝাই নৌকা টেনে নিয়ে ছেড়ে দিয়ে আসছিল সাগরের মাঝখানে। এসব নৌকা স্রোতের টানে ভাসতে ভাসতে চলে গেছে বিভিন্ন দিকে। শত শত মানুষ সাগরে ডুবে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হয়। আর অতি সম্প্রতি থাই পুলিশ এবং সামরিক সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে যে তারা থাইল্যান্ডের উপকূলে এসে পৌঁছানো রোহিঙ্গাদের বিক্রি করে দিয়েছে মানব পাচারকারীদের কাছে। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন সরকার এই মানব পাচারকারীদের দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিভিন্ন সময়। কিন্তু আন্দামান উপকূলের কাছে থাই জঙ্গলের বন্দী শিবির থেকে ১৭১ জনকে উদ্ধারের ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল এই সমস্যা এখনো কতটা প্রকট। সুযোগ পেয়ে রোহিঙ্গাদের শোষণ-নির্যাতনের মাধ্যমে যার শুরু, তা এখন এক সুসংগঠিত দাস ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
সূত্র : বিবিসি।
৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মিলল কঙ্কাল
১৯ অক্টোবর ২০১৪ >> নগদ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়েও অপহৃত শিশুপুত্র সনিকে জীবিত ফেরত পেলেন না তার বাবা শাহিন মিয়া। পেলেন না সন্তানের লাশটিও। পেলেন শুধু অবোধ শিশুসন্তানের কঙ্কাল আর মাথার খুলি। অপহরণের দীর্ঘ মাসাধিককাল পর গতকাল শনিবার মনোহরদী থানা পুলিশ একই উপজেলার ব্রাহ্মণেরগাঁওয়ের একটি জঙ্গল থেকে চার বছরের শিশু সনির এই কঙ্কাল উদ্ধার করেছে।

জানা গেছে, মনোহরদী উপজেলার পাইকান গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার সাথে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে সনির বাবা শাহিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে মঞ্জিল মিয়া শাহিন মিয়াকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর শিশু সনি বাড়ির আঙিনায় খেলা করার সময় মঞ্জিল মিয়ার স্ত্রী মাজেদা বেগম অন্য একটি শিশুকে দিয়ে সনিকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। এরপর সনিকে গলাটিপে হত্যা করে একটি বস্তার ভেতর ভরে ছেলে হারিছকে নির্দেশ করে লাশটি ফেলে দেয়ার জন্য। ছেলে হারিছ সনির বস্তাবন্দী লাশ মোটরসাইকেলে উঠিয়ে ব্রাহ্মণেরগাঁওয়ের একটি জঙ্গলের ভেতর ফেলে চলে আসে। এরপর অপহরণকারী মঞ্জিল মিয়া, তার স্ত্রী মাজেদা বেগম মোবাইল ফোনে এই মর্মে মুক্তিপণ দাবি করে যে, বিকাশের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিলে শিশু সনিকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। অন্যথায় সনিকে হত্যা করা হবে। সনির বাবা শাহিন সরল বিশ্বাসে বিকাশের মাধ্যমে নগদ ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়ে অপহরণকারীদেরকে জানান, সনিকে ফেরত দিলে বাকি টাকা পরিশোধ করা হবে। এরপরও অপহরণকারীরা তার কাছে আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু সনিকে ফেরত না দেয়ায় সনির বাবা শাহিন তাদের দাবিকৃত বাকি ৫০ হাজার টাকা দেননি। এরপর সনির বাবা একাধিকবার মনোহরদী থানায় সনিকে অপহরণ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি করেছেন। কিন্তু পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে পারেনি। এ নিয়ে স্থানীয় পত্রপত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছে। পুলিশ সনির কোনো হদিস করতে পারেনি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মনোহরদী থানার এসআই তানভির আহমেদ মঞ্জিল মিয়াকে গ্রেফতার করে। এরই সূত্র ধরে গ্রেফতার করে তার ছেলে হারিছ মিয়া, স্ত্রী মাজেদা বেগম এবং কন্যা সুমাসহ সাতজনকে। তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মনোহরদী থানা পুলিশ শনিবার বেলা ১১টায় শিশু সনির কঙ্কাল, মাথার খুলি, পরনের কাপড় এবং একটি বস্তা ব্রাহ্মণেরগাঁওয়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে। এ খবর জানাজানি হওয়ার পর সনির বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের গগনবিদারী চিৎকারে পাইকান গ্রামের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শত শত মানুষ তাদের বাড়িতে ভিড় জমান।
Saturday, October 18, 2014
ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গ্রামের উন্নতি করতে হবে : এপিজে আবদুল কালাম
বাংলাদেশে পাটের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ নিয়ে কোনো ভিশন, মিশন ও ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম। তিনি বলেন, একটি জাতির মূল ভিত্তি তৈরি হয় পরিবার ও প্রাথমিক শিা থেকে। প্রত্যেক পিতা-মাতা ও শিক্ষক যেমন পরিবার গড়ে তোলে। তারাই একটি দেশ ও একটি জাতি তৈরি করে। শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি একথা বলেন। এমসিসিআই’র ১১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য এটি খুবই সম্ভাবনাময় শিল্প। আগের ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে প্রযুক্তি সহায়তা নিয়ে উদ্ভাবনী কৌশলের মাধ্যমে এ শিল্পকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এতে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকার ওপর চাপ কমাতে কৃষি ও ুদ্র শিল্পকে শক্তিশালী করতে হবে, প্রযুক্তিকে গ্রামে নিয়ে যেতে হবে। গ্রামের উন্নতি করতে হবে। কারণ গ্রামের উন্নয়নই জাতীয় উন্নয়ন। তিনি বলেন, পাটের কর্মীদের সঠিক ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে। কারণ খুলনা অঞ্চলে এর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এমসিসিআই সহ-সভাপতি আনিস এ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গহর রিজভী, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, ডিসিসিআই সভাপতি শাহাজাহান খান প্রমুখ।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আঞ্চলিক সমন্বয় দরকার : স্পিকার
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, আঞ্চলিক সমন্বয় ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। এ অঞ্চলের কাঙ্খিত উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে সহযোগিতার মাধ্যমে সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী থেকে যথাযথ পানি বণ্টনের মাধ্যমে দুই দেশের পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। গতকাল শুক্রবার নয়া দিল্লিতে ‘দিল্লি পলিসি গ্র“প আয়োজিত ভিশন-২০১৪ রিজওনাল কো-অপারেশন’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সার্কের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল শীলকান্ত শর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নেপালের বাণিজ্যমন্ত্রী সুনীল বাহাদুর থাপা, শ্রীলঙ্কার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিথা বোগোলাগামা বক্তৃতা করেন। এ সময় ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ. করিম উপস্থিত ছিলেন বলে আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

স্পিকার বলেন, ভারত সরকার ও দেশটির জনগণ ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, সেটা বাংলাদেশ চিরকাল মনে রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা দু’দেশের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, জনগণের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়ন, সব ধরনের সন্ত্রাস রোধের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সব দেশকে একযোগে কাজ করে টেকসই উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সব দেশকে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব-এশিয়া তাদের উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়েছে। আগামীতে সার্ক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্পিকার বলেন, ভারত সরকার ও দেশটির জনগণ ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছিল, সেটা বাংলাদেশ চিরকাল মনে রাখবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা দু’দেশের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, জনগণের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশকে আন্তরিকভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দারিদ্র্য বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনয়ন, সব ধরনের সন্ত্রাস রোধের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সব দেশকে একযোগে কাজ করে টেকসই উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সব দেশকে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব-এশিয়া তাদের উন্নয়নকে নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়েছে। আগামীতে সার্ক আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের
ভারত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘নির্ভয়’-এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে। গতকাল শুক্রবার ওডিশা উপকূলের চাঁদিপুরে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা চালানো হয়। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার। ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভয় ৭০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। রাডারে এর উপস্থিতি শনাক্ত করা সহজ নয়। এ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর মধ্য দিয়ে ভারত কাছাকাছি দূরত্বের ‘শত্রুদেশের’ অভ্যন্তরে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করল। ভারতের অগ্নিসহ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে নির্ভয়ের বিশেষ পার্থক্য হলো এর ডানা আছে। নির্ভয় ছোড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্রের মতো করেই। কিন্তু পরে এটি ডানা মেলে বিমানের মতো চলতে পারে। এটি লক্ষ্যবস্তুর কাছে বাতাসে স্থির হয়ে ভেসে থাকতে পারে এবং যেকোনো দিক থেকে আঘাত হানতে পারে। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) তৈরি করা নির্ভয় শব্দের কাছাকাছি গতিতে চলতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর আগেও ভারত দূরপাল্লাসহ কৌশলগত বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। কিন্তু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এটাই প্রথম। নির্ভয়কে মার্কিন টোমাহক ও পাকিস্তানের বাবর ক্ষেপণাস্ত্রের ভারতীয় সংস্করণ বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছরের ১২ মার্চ নির্ভয়-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের প্রায় ২০ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এর ইঞ্জিন বিকল করা হয়। পরে এটি উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। মোদির বৈঠক: এদিকে দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকাল সকালে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সব সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম বৈঠক। নয়াদিল্লির এই বৈঠকে মোদি তাঁর কৌশলগত লক্ষ্য সম্পর্কে শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এ ছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতিসহ দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলেন তিনি। পাকিস্তান ও চীনের সেনাদের সীমান্তে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ‘লঙ্ঘনের’ বিষয়েও কমান্ডারদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কাজাখ তেলক্ষেত্রে হাজারো কোটি ডলার জলে
কাজাখস্তানের জলসীমায় উত্তর কাস্পিয়ান সাগরে ২০০০ সালে কাশাগান তৈলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। তিন দশকের মধ্যে এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘটনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি ভেস্তে গেছে। দ্য ইকনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় আট বছর পর গত বছর ক্ষেত্রটি থেকে তেল উত্তোলন শুরু হয়। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে চার হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে, যা মূল বাজেটের চেয়ে তিন হাজার কোটি মার্কিন ডলার বেশি। এত খরচের পরও ক্ষেত্রটি থেকে মাত্র কয়েক সপ্তাহ তেল উৎপাদন করা গেছে। বিষাক্ত গ্যাস প্রবেশ করায় তেলক্ষেত্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশটির এক মন্ত্রী স্বীকার করেন, অন্তত ২০১৬ সালের আগে তেলক্ষেত্রটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে না। কাশাগানে ব্যর্থতার পরও এ মাসেই দেশটির সরকার জানিয়েছে, তারা আরেকটি বড় বাজেটের তেলক্ষেত্র উন্নয়নের প্রকল্প অনুমোদন করবে। উপকূলবর্তী তেনগিজ তেলক্ষেত্রে দুই হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ পড়বে বলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু এখন সরকার বলছে, এই প্রকল্পের খরচ চার হাজার কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত হতে পারে। অপ্রত্যাশিত প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কাশাগান প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে। ওই সমস্যা সমাধানে আরও ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ হতে পারে। প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এখানে অনেক কোম্পানি যুক্ত থাকায় সুনির্দিষ্ট নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। এ ছাড়া এই প্রকল্পে সরকারের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপও রয়েছে।

নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!
১৮ অক্টোবর, ২০১৪ >> লম্বায় ১৪ ফুট। ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। অতিকায় এই মহিষটির নাম যুবরাজ। বিশাল বপুর এই ষাঁড় মহিষটির দাম উঠেছে সাত কোটি ভারতীয় রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ কোটি ৮০ লাখ ৪১ হাজার ২৮ টাকা। তবে যুবরাজের মালিক এখনই তাকে বেচতে নারাজ।

আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মিরাট শহরে গবাদিপশু প্রদর্শনী (অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো) অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ১০ বিচারকের রায়ে যুবরাজ প্রদর্শনীর অন্য সব গবাদিপশুকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছে।
যুবরাজকে নিজের ছেলের মতোই লালন-পালন করেন এর মালিক করমভীর সিং। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর যুবরাজের মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ রুপি আয় হয়। জীবনে সবকিছু টাকার উদ্দেশ্যে নয়।’
করমভীর জানান, দৈনিক ২০ লিটার দুধ পান করে যুবরাজ। পাশাপাশি পাঁচ কেজি আপেল ও উন্নতমানের পশুখাদ্য খায়। দিনে চার কিলোমিটার পথ হাঁটে সে। যুবরাজের পেছনে তাঁর মাসে ২৫ হাজার রুপির মতো ব্যয় হয়। তিনি বলেন, ‘চন্ডিগড়ের এক কৃষক যুবরাজকে কিনতে সাত কোটি রুপি দাম হেঁকেছিল। কিন্তু আমি যুবরাজকে এখন বিক্রি করতে প্রস্তুত নই।’
ভারতের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রবিন্দর সাংভান জানান, মুর্রাহ প্রজাতির এই মহিষটি উচ্চ উৎপাদনের জন্য বিশ্বখ্যাত। এর উৎস মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোহটাক ও জিন্দ জেলায়। তবে উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলেও এ জাতের মহিষের দেখা মেলে। তিনি বলেন, যুবরাজের শরীর থেকে প্রতিদিন ৩.৫ থেকে ৫ মিলিলিটার পর্যন্ত শুক্রবীজ সংগ্রহ করা হয়। পানি মিশিয়ে এই পরিমাণকে ৩৫ মিলিলিটার পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
একটি মাদি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য মাত্র ০.২৫ মিলিলিটার শুক্রবীজের দরকার হয়। যুবরাজের শুক্রাণু দিয়ে একটি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য নেওয়া হয় দেড় হাজার রুপি। সে হিসাবে যুবরাজের মালিক সহজেই মাসে ২ লাখ ১০ হাজার রুপি আয় করতে পারেন।
‘এইসব দিনরাত্রি’র টুনির লাশ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার
বিটিভির এক সময়ের জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক এইসব দিনরাত্রির চরিত্র টুনির লিউকোমিয়া হয়েছিল। দর্শক জেনে গিয়েছিল টুনির মৃত্যু অবধারিত। তবু তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হাজারো অনুরোধ জমা পড়েছিল বাংলাদেশ টেলিভিশনে। নাটকের সেই ছোট্ট টুনি চরিত্রের অভিনেত্রী নায়ার সুলতানার (৩৫) ফাঁস লাগানো মৃতদেহ গতকাল বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয়েছে। নায়ারের মা রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে নায়ারের স্বামী আলী আমিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করার পর গতকালই আলী আমিনকে আটক করা হয়েছে। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেছেন, শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আজ শুক্রবার দুপুর নাগাদ মামলার বাদী রাজিয়া সুলতানা আদালতে গিয়ে আলী আমিনের মুক্তি প্রার্থনা করেন। এর আগে পুলিশ হত্যা মামলায় আলী আমিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে আলী আমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। গুলশান থানার পুলিশ জানায়, গুলশানের ১২৬ নম্বর রোডের একটি ফ্ল্যাট থেকে নায়ারের লাশ উদ্ধার করা হয়। গলায় শাড়ি প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এরপর স্বজনদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাসার বাইরে থেকে স্বামী আলী আমিনকে আটক করা হয়। তবে ঢাকা মেডিকেলে যাওয়া নায়ার সুলতানার কয়েকজন আত্মীয়স্বজন ঘটনার ব্যাপারে সাংবাদিকদের কাছে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরে এক স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নায়ার যখন আত্মহত্যা করেন তখন বাড়িতে তাঁর দুই সন্তান ছাড়া আর কেউ ছিল না।

আজ সন্ধ্যায় নায়ারের মা রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করতে তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে অপর প্রান্তে থাকা এক নারী নিজেকে অতিথি বলে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, সবাই খুব মুষড়ে পড়ায় কেউ কথা বলতে পারবেন না। তিনি নায়ারের স্বামীর পরিবারের কারও ফোন নম্বর দিতেও অস্বীকৃতি জানান। মামলার এজাহারে রাজিয়া সুলতানা উল্লেখ করেন, ২০০০ সালের ৩ অক্টোবর নায়ারের সঙ্গে আলী আমিনের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে নয় ও ছয় বছরের দুই সন্তান আছে। এজাহারে রাজিয়া আরও উল্লেখ করেন, আলী আমিন একজন মাদকাসক্ত। তিনি প্রতিদিন মাদকাসক্ত হয়ে বাসায় ফিরে নায়ার সুলতানাকে মারধর করতেন। কিন্তু দুই সন্তানের কথা চিন্তা করে নায়ার সব অত্যাচারই সহ্য করতেন। এসব অত্যাচারে আলী আমিনের বাবা-মাও প্রশ্রয় দিতেন। এরই ধারাবাহিকতায় বেলা আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে আলী আমিন নায়ার সুলতানাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যান। আলী আমিন তাঁর বাবা মায়ের প্ররোচনায় নায়ার সুলতানাকে হত্যা করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করেন গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান। সুরতহালে উল্লেখ করা হয়, নিহত নায়ারের গলায় অর্ধ চন্দ্রাকৃতির দাগ ও বাম হাতের গিরায় আঘাতের কালো চিহ্ন আছে। জানতে চাইলে এসআই আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আলী আমিন দাবি করেছেন, পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে নায়ার সুলতানা আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁকে বাসার বাইরে থেকে আটক করা হয়েছে।
বাসার বাইরে যাওয়ার ব্যাপারে আলী আমিন পুলিশকে জানিয়েছেন, তাঁর বড় সন্তানকে গতকাল দুপুরে স্কুল থেকে বাসায় নিয়ে আসার পর তিনি একটু ঘুরতে বের হয়েছিলেন। এরই মধ্যে ঘটনার খবর সংবাদ পেয়ে বাসার দিকে রওনা দেন তিনি। পরে বাসার সামনে থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঘটনার ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে যেহেতু হত্যা মামলা হয়েছে তাই আমরা ঘটনার ব্যাপারে গ্রেপ্তার আলী আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করব।’
ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
দশম আসেম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান উপলক্ষে ইতালি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শুক্রবার কিংবদন্তি শিল্পী লেওনার্দো দা ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ ছবিটি দেখেছেন। সান্তা মারিয়া ডেলে গ্রাজিয়ের চার্চে অবস্থিত ভিঞ্চির এ ছবিটি দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

দর্শনার্থীদের জন্য চার্চের ডাইনিং হলের দেয়ালে ভিঞ্চির অন্যতম এই কীর্তিটি শোভা পাচ্ছে। ভিঞ্চি ১৪৯১-৯৮ সালের মধ্যে বিখ্যাত এই চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। জাদুঘরের সহকারী এর ঐতিহ্য, ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, শিল্পী সাহাবুদ্দিন ও শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকী ওরফে অবন্তী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ চিত্রকর্মটি মিলানের বিশ্বমানের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত এবং সান্তা মারিয়া ডেলে গ্রাজিয়ের চার্চ রেনেসাঁ যুগের ভবন হিসেবে পরিচিত। বাসস।
Wednesday, October 1, 2014
কাশ্মিরি বন্যার্তদের প্রতি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অবহেলা
অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মিরকে অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে থাকে ভারত সরকার। অথচ অঞ্চলটিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পীড়িত জনগণের আত্মরক্ষার দায়িত্ব তাদের ওপরেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রহীন অথচ ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে গিজ গিজ করছে হিমালয় পাদদেশের এই অঞ্চল। নয়াদিল্লি ইচ্ছা করেই এ অঞ্চলকে অবহেলা করছে। আর সেনাবাহিনী এটিকে ব্যবহার করছে জনসংযোগচর্চার জন্য। বন্যাপীড়িত কাশ্মিরিরা নিজেরাই নিজেদের নিয়ে ভাবছে।

>>শ্রীনগরের বন্যাকবলিত একটি এলাকা : এএফপি
কাশ্মিরে বন্যায় প্রায় ৭৪ জনের প্রাণহানির দুই সপ্তাহ পর নিজ পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে লেখেন, বিধ্বস্ত ও লণ্ডভণ্ড দক্ষিণ কাশ্মির অভিমুখে গাড়ি চালিয়ে গেলাম। মাত্র শ্রীনগর পৌঁছলাম। প্রায় অচল নগরী। বাতাসে লাশের গন্ধ। শ্রীনগরের কেন্দ্রস্থল থেকে কাশ্মিরের বাইরের এক বন্ধুকে টুইট করলেন এক অসহায় ব্যক্তিÑ আমাদের জন্য ভেলা পাঠাও, আমাদের এখন ভেলা দরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকজন লিখলেন, রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশও নেই। ফলে ত্রাণসরবরাহের জন্য চালু রয়েছে যে কয়টি রাস্তা, তাতে জট লেগেই আছে।
কাশ্মিরিদের দুর্ভোগের মূলে রয়েছে রাষ্ট্রীয় কোনো ব্যবস্থাপনা না থাকা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সামরিক বাহিনী বেষ্টিত অঞ্চলগুলোর একটি এই কাশ্মির। অথচ এখানকার উদ্ধারকার্যক্রম সত্যিই বেদনাদায়ক। শ্রীনগরে সরকারি আমলাদের একটি অত্যন্ত ধনী এলাকা রাজবাগের এক ুব্ধ যুবক ফোনে জানান, তারা (নিরাপত্তা বাহিনী) যখন আমাদের এলাকায় উদ্ধারকাজে অসে, তখন একটি তালিকা নিয়ে আসে। কেবল তালিকাতেই তারা সীমাবদ্ধ থাকে। তাদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সরকারি আমলা ও পণ্ডিতদের উদ্ধার করতে, স্থানীয় মুসলিমদের নয়। তিনি বলেন, সৈন্যরা হেলিকপ্টারে এত নিচ দিয়ে উড়ে যায় যে আমাদের নৌকার ওপর এসে পড়ে। তারপর বন্যার নোংরা পানিতে বিস্কুট ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে যায়। এগুলো আমরা কিভাবে ব্যবহার করব?
ভারতের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যটির স্থানীয় জনগণকে উপেক্ষা করে শুধু পর্যটকদের ও আমলাদের উদ্ধার পরিকল্পনার কঠোর নিন্দা করেছে সারা বিশ্বের কাশ্মিরি সুশীলসমাজ। ত্রাণসংস্থাগুলোর ত্রাণকার্যক্রমে সহায়তার পরিবর্তে তাদের কাজে আরো ব্যাঘাত সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া যায়। দুর্গত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণের আগে শ্রীনগর বিমানবন্দরে স্থানীয় পুলিশ তত্ত্বাবধায়কের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হচ্ছে ত্রাণসংস্থাগুলোকে। ত্রাণশিবিরের এক ুব্ধ সমন্বয়ক বলেন, এমন সময় কি আমরা পুলিশের অনুমতির জন্য দৌড়াদৌড়ি করব? তিনি আরো বলেন, প্রশাসন আমাদের অভিমতের কোনো তোয়াক্কা না করেই আমাদেরকে বলেছে ট্রাকগুলোকে বিমানবন্দরের গেটের বাইরে রাখতে। কেননা এটি অত্যন্ত নিরাপদ এলাকা। আমরা কি বিমানবন্দরের বাইরে এক কিলোমিটার ত্রাণসামগ্রী মাথায় করে নিয়ে যাবো? প্রাকৃতিক দুর্যোগকে প্রচুর সেনা উপস্থিতির পক্ষে যুক্তি ও স্বাধীনতাকামীদের দাবি নিয়ে তাচ্ছিল্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কশ্মিরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে দিল্লি। কিন্তু এখানকার মানবাধিকার রেকর্ড থেকে প্রমাণিত হয়, ছয় দশক ধরে কাশ্মিরি জনগণের কথা বিবেচনা করা হয়নি।
কাশ্মিরিদের দুর্ভোগের মূলে রয়েছে রাষ্ট্রীয় কোনো ব্যবস্থাপনা না থাকা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সামরিক বাহিনী বেষ্টিত অঞ্চলগুলোর একটি এই কাশ্মির। অথচ এখানকার উদ্ধারকার্যক্রম সত্যিই বেদনাদায়ক। শ্রীনগরে সরকারি আমলাদের একটি অত্যন্ত ধনী এলাকা রাজবাগের এক ুব্ধ যুবক ফোনে জানান, তারা (নিরাপত্তা বাহিনী) যখন আমাদের এলাকায় উদ্ধারকাজে অসে, তখন একটি তালিকা নিয়ে আসে। কেবল তালিকাতেই তারা সীমাবদ্ধ থাকে। তাদেরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সরকারি আমলা ও পণ্ডিতদের উদ্ধার করতে, স্থানীয় মুসলিমদের নয়। তিনি বলেন, সৈন্যরা হেলিকপ্টারে এত নিচ দিয়ে উড়ে যায় যে আমাদের নৌকার ওপর এসে পড়ে। তারপর বন্যার নোংরা পানিতে বিস্কুট ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে যায়। এগুলো আমরা কিভাবে ব্যবহার করব?
ভারতের একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যটির স্থানীয় জনগণকে উপেক্ষা করে শুধু পর্যটকদের ও আমলাদের উদ্ধার পরিকল্পনার কঠোর নিন্দা করেছে সারা বিশ্বের কাশ্মিরি সুশীলসমাজ। ত্রাণসংস্থাগুলোর ত্রাণকার্যক্রমে সহায়তার পরিবর্তে তাদের কাজে আরো ব্যাঘাত সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া যায়। দুর্গত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণের আগে শ্রীনগর বিমানবন্দরে স্থানীয় পুলিশ তত্ত্বাবধায়কের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হচ্ছে ত্রাণসংস্থাগুলোকে। ত্রাণশিবিরের এক ুব্ধ সমন্বয়ক বলেন, এমন সময় কি আমরা পুলিশের অনুমতির জন্য দৌড়াদৌড়ি করব? তিনি আরো বলেন, প্রশাসন আমাদের অভিমতের কোনো তোয়াক্কা না করেই আমাদেরকে বলেছে ট্রাকগুলোকে বিমানবন্দরের গেটের বাইরে রাখতে। কেননা এটি অত্যন্ত নিরাপদ এলাকা। আমরা কি বিমানবন্দরের বাইরে এক কিলোমিটার ত্রাণসামগ্রী মাথায় করে নিয়ে যাবো? প্রাকৃতিক দুর্যোগকে প্রচুর সেনা উপস্থিতির পক্ষে যুক্তি ও স্বাধীনতাকামীদের দাবি নিয়ে তাচ্ছিল্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কশ্মিরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে দিল্লি। কিন্তু এখানকার মানবাধিকার রেকর্ড থেকে প্রমাণিত হয়, ছয় দশক ধরে কাশ্মিরি জনগণের কথা বিবেচনা করা হয়নি।
লতিফ সিদ্দিকীকে এখনই দেশে না ফেরার পরামর্শ
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে এখনই দেশে না ফেরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দলের একাধিক নেতা বিভিন্ন মাধ্যমে নিউইয়র্কে অবস্থানরত মন্ত্রীকে এ পরামর্শ দিয়েছেন। সরকারের শীর্ষ মহলও এমন চিন্তাভাবনা করছে বলে জানা গেছে। পবিত্র হজ ও তাবলিগ জামাত, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাংবাদিকদের সম্পর্কে কটূক্তি করে এখন দেশে-বিদেশে চরম সমালোচিত এই মন্ত্রী। মঙ্গলবার লন্ডন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের এই প্রেসিডিয়াম সদস্যকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগ নেতারা আশঙ্কা করছেন, লতিফ সিদ্দিকী দেশে ফিরলে তার শাস্তির দাবিতে ইসলামী দলগুলো আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, তারা চান না নতুন করে শাহবাগ ইস্যুতে দেশে অস্থিরতা তৈরি হোক। তাই এই মুহূর্তে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে দেশে না ফেরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আÍীয়-স্বজন এবং দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এ পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে তারা জানান। টাঙ্গাইল-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ২১ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্র যান। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী লায়লা সিদ্দিকী ও তার ছেলে। রোববার নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির সংবর্ধনা সভায় লাগামহীন বক্তৃতা দিয়েই তিনি ডালাস চলে যান। সেখানে স্ত্রীকে রেখে নিউইয়র্কে ফিরে আজ তার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, তারা চান না নতুন করে শাহবাগ ইস্যুতে দেশে অস্থিরতা তৈরি হোক। তাই এই মুহূর্তে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে দেশে না ফেরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আÍীয়-স্বজন এবং দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এ পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে তারা জানান। টাঙ্গাইল-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ২১ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্র যান। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী লায়লা সিদ্দিকী ও তার ছেলে। রোববার নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির সংবর্ধনা সভায় লাগামহীন বক্তৃতা দিয়েই তিনি ডালাস চলে যান। সেখানে স্ত্রীকে রেখে নিউইয়র্কে ফিরে আজ তার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে।
Tuesday, September 30, 2014
আমি হজ ও তাবলিগের বিরোধী : মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী by শওকত ওসমান রচি
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী। তার চেয়েও বেশি বিরোধী হজ ও তাবলিগ জামাতের।

রোববার বিকেলে নিউ ইয়র্ক জ্যাকসন হাইটসের একটি হোটেলে নিউ ইয়র্কস্থ টাঙ্গাইলবাসীর সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। বক্তৃতায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তনয় সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্দেশে বলেন, কথায় কথায় আপনারা জয়কে টানেন কেন? ‘জয় ভাই’ কে? জয় বাংলাদেশ সরকারের কেউ নন। তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ারও কেউ নন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন ‘টকশো’রও সমালোচনা করেন।
মন্ত্রী পবিত্র হজের বিরুদ্ধে এ ধরনের বক্তব্য রাখার পর স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সংবাদটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও এই মন্ত্রী একাধিকবার অসংলগ্ন কথা বলেছেন। তাকে এখনো মন্ত্রিসভায় রাখায় তারা প্রশ্ন তুলেছেন। অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতেই সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যে বিস্মিত হন দলের কর্মী ও সমর্থকেরা। সভাস্থলে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করলে একপর্যায়ে মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউ ইয়র্ক সফর করছেন ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি জামায়াতে ইসলামীর বিরোধী। তার চেয়েও বেশি বিরোধী হজ ও তাবলিগ জামাতের’। তিনি বলেন, এ হজে যে কত ম্যানপাওয়ার নষ্ট হয়। হজের জন্য ২০ লাখ লোক আজ সৌদি আরবে গিয়েছে। এদের কোনো কাম নেই। এদের কোনো প্রডাকশন নেই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে। মন্ত্রী বলেন, এভারেজে যদি বাংলাদেশ থেকে এক লাখ লোক হজে যায় প্রত্যেকের পাঁচ হাজার টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়। তিনি হজের শুরু প্রসঙ্গে বলেন, আব্দুল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ চিন্তা করল এ জাজিরাতুল আরবের লোকেরা কিভাবে চলবে। তারা তো ছিল ডাকাত। তখন একটি ব্যবস্থা করল যে আমার অনুসারীরা প্রতি বছর একবার একসাথে মিলিত হবে। এর মধ্য দিয়ে একটি আয়-ইনকামের ব্যবস্থা হবে।
তাবলিগ জামাতের সমালোচনা করে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, তাবলিগ জামাত প্রতি বছর ২০ লাখ লোকের জমায়েত করে। নিজেদের তো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়িঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন প্রবাসী মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন বাংলাদেশের কম্পিউটার ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি কোন পর্যায়ে। আমরা জানতে পেরেছি এ ব্যাপারে জয় ভাই ইন্টারনেট কানেকশনের কাজ করছেন। এ সময় কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে দেখা যায় মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে। তিনি এ সময় বলেন, জয় ভাই কে? পাশ থেকে এ সময় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলে উঠেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়’। মন্ত্রী বলে উঠেন, সে করার কে? এ সময় প্রশ্নকর্তা বলেন, তার তো এ ব্যাপারে প্ল্যান রয়েছে। মন্ত্রী এবার বলেন, ও সেটা বলেন, ওনার একটা প্ল্যান আছে। এ সময় মন্ত্রী তার ডান পাশে উপবিষ্ট যুক্তরাষ্ট্র সভাপতি এবং একজন প্রবাসীকে দেখিয়ে বলেন, এ ধরনের প্ল্যান সিদ্দিকুর রহমান করতে পারে, সে-ও করতে পারে। জয় কম্পিউটার বা ইনফরমেশন টেকনোলজি সায়েন্টিস্ট। তার নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। সরকার জনগণের। জয় বাংলাদেশ সরকারের কেউ নন। তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ারও কেউ নন। তিনি তার মায়ের তথ্য উপদেষ্টা। এটাও ঠিক আছে। তিনি শিক্ষক সেটাও ঠিক আছে। তিনি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার। কার্যকর করেন মন্ত্রী। ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় যা কিছু তার দায় মন্ত্রীর। বর্তমান মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর দায়িত্ব। এখানে জয়ের কিছু নেই। মন্ত্রী বলেন, একজন একটি বই লিখেছেন। সে বইয়ের লেখকের কোনো দায়দায়িত্ব নেই। যিনি পড়াচ্ছেন এবং পড়ছেন দায়দায়িত্ব তাদের। প্রবাসীদের উদ্দেশে এ সময় মন্ত্রী বলেন, কথায় কথায় আপনারা জয়কে টানেন কেন।
মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা বিদেশে এসেছেন কামলা দিতে এবং সব সময় কামলাই দেবেন। রাজনীতি করার দরকার কি? টিভির টকশোর সমালোচনা করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা রাগ করলে দেশে একটা গালি দেই চু...নি (অশ্রাব্য একটি গালি)। এ সময় হলভর্তি বিস্মিত প্রবাসীদের পিনপতন নীরবতা। মন্ত্রী ওই গালির সাথে মিল রেখে টকশোতে অংশগ্রহণকারীদের ‘টক মারানি’ বলে আখ্যায়িত করেন। মন্ত্রী বলেন, ওয়ান-ইলিভেনের পর আমি যাদের কাছে চার লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছিলাম। এক লাখ পেয়েছি। তাদের কোনো তদবির আমি এখন রক্ষা করি না।
Subscribe to:
Posts (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
Recent Posts
Popular Posts
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
বহুল আলোচিত সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২৪ পলাতক আসামির বিরুদ...
-
আসন্ন পৌর নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি অথর্ব, আজ্ঞাবহ ...
-
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলনকে (৫৩) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শ...
-
আইকন খেলোয়াড়ের তালিকায় নাম ছিল না তার। তবে সাকিব আল হাসানের উচ্চতাটা প্রকাশ পেলো পরিষ্কারই। লটারির প্রথম পর্ব ছিল পাঁচ আইকন খেলোয়াড়কে নিয়ে...
-
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। খুব সম্ভবত এ কথাটি বাংলাদেশের মানুষের জন্যই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। রো...
-
অবশেষে জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। সব ধরনের ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনি। ফিফার এথিক্স কমিটির ত...
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
আবার ‘স্টার ওয়ারস’। আবার সেই ভয়াবহ যুদ্ধ। দুনিয়াজোড়া লাখো সিনেমাপ্রেমীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দায় এসেছে ‘স্টার ওয়ারস’ সিরিজের নতুন ছবি ‘...
-
মিস ইউনিভার্স বিতর্ক ক্রমেই বড় আকার ধারণ করছে। এবারে আরেক প্রতিযোগী মিস জার্মানি তার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, মিস কলোম্বিয়...
