Showing posts with label ভারত. Show all posts
Showing posts with label ভারত. Show all posts

Thursday, December 11, 2014

বাংলাদেশের সঙ্গে জলপথে যোগাযোগে আগ্রহী মমতা

পশ্চিমবঙ্গের শিল্পপতিদের নিয়ে শিল্প সম্ভাবনার খোঁজে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লঞ্চবিহারে সুন্দরবন গিয়েছিলেন। শিল্পপতিরা ছাড়াও সঙ্গী হিসেবে ছিলেন আমলা ও সাংস্কৃতিক জগতের অনুগত কয়েকজন। এই সফরে মমতা বাংলাদেশের সঙ্গে জলপথে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। সেইমতো তিনি সংশ্লিষ্ট আমলাদের নির্দেশও দিয়েছেন। অবশ্য বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের জলপথে যোগাযোগকে আরও প্রসারিত করতে দুই দেশের সরকারর মধ্যে ইতিমধ্যেই কথা শুরু হয়েছে। কলকাতা থেকে জলপথে আশুগঞ্জ বন্দর হয়ে ত্রিপুরায় চালও যাওয়াও শুরু হয়েছে। তেমনি কলকাতা থেকে জলপথে বিশাল বিশাল বার্জে করে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছাই বাংলাদেশে যাচ্ছে নিয়মিত। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলপথে যোগাযোগ আরও প্রসারিত করতে চান দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অন্যান্য যোগাযোগ বৃদ্ধির স্বার্থে। দুই দিনের সুন্দরবনে লঞ্চবিহারে শিল্প বিনিয়োগ নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে। শিল্পপতিরাও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে সামিল হবার  প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গত বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী সুন্দরবন সফর শেষে কলকাতায় ফিরে এসেছেন। তবে প্রবল কুয়াশা ও ভাটার টান থাকায় মুখ্যমন্ত্রীও অন্যান্যরা লঞ্চে ১১ ঘণ্টা আটকে চিলেন। তবে এতে কোন অসুবিধা হয় নি। বরং মুখ্যমন্ত্রীর আগ্রহে গান বাজনা চলেছে অনেকটা সময় ধরেই । মুখ্যমন্ত্রী নিজেও তাতে গলা মিলিয়েছেন।

Thursday, December 4, 2014

সারদা চিট ফান্ডের অর্থ বাংলাদেশে আসেনি

ভারতে বহুল আলোচিত সারদা চিট ফান্ডের অর্থ বাংলাদেশে কোন সংস্থা বা গ্রুপের কাছে হস্তান্তর হয় নি। ব্যবহৃত হয় নি কোন সন্ত্রাসী কর্মকা-ে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ভারতে তোলপাড় চলছে। বলা হচ্ছে, এ অর্থ বাংলাদেশে সরকার পতনে ব্যবহার করা হয়েছে। সম্প্রতি বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রধান অমিত শাহ একই রকম অভিযোগ তোলার পর কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত তার দলীয় সরকারই জানিয়ে দিয়েছে সারদা চিট ফান্ডের অর্থ বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকা-ে ব্যবহার হওয়ার কোন যোগসূত্র পাওয়া যায় নি। এর আগে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (এনআইএ) তাদের প্রাথমিক তদন্তে  এ রকমই রিপোর্ট দিয়েছিল সরকারের কাছে। লোকসভায় আজ লিখিত বক্তব্যে মিনিস্টার অব স্টেট ফর পারসোনেল জিতেন্দ্র সিং বলেন, এখন পর্যন্ত যে তদন্ত বা অনুসন্ধান হয়েছে তাতে বাংলাদেশে অর্থ যাওয়ার কোন তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায় নি।

Monday, November 17, 2014

বিশ্বের প্রবীণতম বৃদ্ধ ১৭৯ বছরেও সুস্থ

তার নাতি-নাতনিরাও কেউ এখন আর বেঁচে নেই। অথচ বেঁচে আছেন তিনি। তাই আক্ষেপ করে ১৭৯ বছরের মহাস্টা মুরেসির বলেন, ‘যমে বোধহয় আমাকে নিতে ভুলে গেছে।’
বিশ্বের প্রবীণতম এই বৃদ্ধের বাড়ি ভারতের বেঙ্গালুরুতে। তার  নাম রয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও।
মহাস্টা মুরেসির জন্ম ১৮৩৫ সালে। এমনটাই দাবি ওয়ার্ল্ড নিউজ ডেইলি রিপোর্ট ডট কমের। তবে এ খবরের সত্যতা কতটা, তা তর্কযোগ্য।
ওয়েবসাইটির আরো দাবি, মুরেসি নাকি এখন দুঃখ করে বলেন, ‘চোখের সামনে আমার নাতি-নাতনিরা মারা-গেছে। কিন্তু মৃত্যু আমাকে গ্রাস করেনি। আমি তাই মরার আশা ছেড়ে দিয়েছি।’

মোদি নিজে ঘুমান না, মন্ত্রীদেরকেও ঘুমোতে দেন না

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের ধরনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইউনিয়ন মন্ত্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু। তিনি বলেছেন, মোদি নিজে ঘুমান না, আমাদেরকেও ঘুমোতে দেন না। গতকাল হায়দ্রাবাদে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় নগর উন্নয়ন ও পার্লামেন্ট বিষয়ক মন্ত্রী নাইডু। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। নাইডু বলেন, আমি সকালে বলছিলাম আমাদের প্রধানমন্ত্রী ঘুমান না, অন্যদেরকেও ঘুমোতে দেন না। তিনি বলেন, তবে বিষয়টি আমরা উপভোগ করছি। কারণ, জনগণের জন্য কাজ করা, সাধারণ মানুষের জীবনের উন্নয়নের জন্য কাজ করা জীবনের সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। কিছুদিন আগে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য বলেছিলেন, ভারতের প্রত্যেককে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের অধিকারী করার লক্ষ্য অর্জনে ৫ বছর সময় প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তব্য ছিল, ১ বছরের মধ্যেই এ লক্ষ্য পূরণ করা উচিত। নাইডু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা’ চালুর ৭ সপ্তাহের মধ্যেই আরও ৬ দশমিক ৯৯ কোটি মানুষ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। এর আগে ভারতের ৫৮ শতাংশ জনগণ যাদের অধিকাংশই গ্রামে বাস করেন, তাদের কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না।

Monday, November 10, 2014

বাসের মধ্যে প্রসব, সহৃদয় চালক নিয়ে গেলেন হাসপাতালে

তাদের মতো ভালো লোক এখন ‘বিরল প্রজাতির প্রাণী’। তবুও তারাই উদাহরণ দিয়ে দেখান, পৃথিবী থেকে মানবিকতা হারিয়ে যায়নি। কথা হচ্ছে দিল্লির এক সহৃদয় বাসচালক সম্পর্কে। তার সহৃদয়তায় দুটি প্রাণ এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক।

উত্তমনগর থেকে দিল্লির রাও তুলারাম হাসপাতালে যাওয়ার জন্য ডিটিসি বাসে উঠেছিলেন চিন্তা দেবী। সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী সন্তোষ ও ননদ রিনা। চিন্তা দেবী প্রায় ৮ মাসের গর্ভবতী ছিলেন। খানিক দূর যাওয়র পরই হঠাৎ প্রসবযন্ত্রণা ওঠে তার। বাস তখন ট্র্যাফিক জ্যামে আটকা পড়ে রয়েছে। উপস্থিত সময় চালক বাস ঘুরিয়ে হাসপাতালের দিকে ছোটান। কিন্তু দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মাঝপথে বাস দাঁড় করাতে হয় তাকে। বাস থেকে সব পুরুষ যাত্রী নেমে চিন্তা দেবীকে প্রসব করার জায়গা করে দেন। নারীদের সাহায্যে বাসের মধ্যেই কন্যা সন্তান প্রসব করেন তিনি।
চালক আর দেরি না করে সম্পূর্ণ অন্য রুটে বাস চালিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছান। খবর পেয়ে বাসের মধ্যে উঠে আসেন অভিজ্ঞ ডাক্তাররা। তারাই সেখান থেকে মা ও বাচ্চাকে তড়িঘড়ি প্রসূতি ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মা ও বাচ্চা দুজনেই এখন বিপদমুক্ত।

Saturday, October 18, 2014

রাডার এড়াতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

ভারত পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘নির্ভয়’-এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে। গতকাল শুক্রবার ওডিশা উপকূলের চাঁদিপুরে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা চালানো হয়। খবর এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার। ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভয় ৭০০ কিলোমিটারের বেশি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে। রাডারে এর উপস্থিতি শনাক্ত করা সহজ নয়। এ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর মধ্য দিয়ে ভারত কাছাকাছি দূরত্বের ‘শত্রুদেশের’ অভ্যন্তরে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করল। ভারতের অগ্নিসহ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে নির্ভয়ের বিশেষ পার্থক্য হলো এর ডানা আছে। নির্ভয় ছোড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্রের মতো করেই। কিন্তু পরে এটি ডানা মেলে বিমানের মতো চলতে পারে। এটি লক্ষ্যবস্তুর কাছে বাতাসে স্থির হয়ে ভেসে থাকতে পারে এবং যেকোনো দিক থেকে আঘাত হানতে পারে। ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) তৈরি করা নির্ভয় শব্দের কাছাকাছি গতিতে চলতে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এর আগেও ভারত দূরপাল্লাসহ কৌশলগত বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। কিন্তু ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এটাই প্রথম। নির্ভয়কে মার্কিন টোমাহক ও পাকিস্তানের বাবর ক্ষেপণাস্ত্রের ভারতীয় সংস্করণ বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এর আগে গত বছরের ১২ মার্চ নির্ভয়-এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের প্রায় ২০ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এর ইঞ্জিন বিকল করা হয়। পরে এটি উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। মোদির বৈঠক: এদিকে দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গতকাল সকালে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সব সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে এটিই তাঁর প্রথম বৈঠক। নয়াদিল্লির এই বৈঠকে মোদি তাঁর কৌশলগত লক্ষ্য সম্পর্কে শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এ ছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতিসহ দেশের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলেন তিনি। পাকিস্তান ও চীনের সেনাদের সীমান্তে অস্ত্রবিরতি চুক্তি ‘লঙ্ঘনের’ বিষয়েও কমান্ডারদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাম তার যুবরাজ, দাম সাত কোটি রুপি!

১৮ অক্টোবর, ২০১৪ >> লম্বায় ১৪ ফুট। ওজন এক হাজার ৪০০ কেজি। অতিকায় এই মহিষটির নাম যুবরাজ। বিশাল বপুর এই ষাঁড় মহিষটির দাম উঠেছে সাত কোটি ভারতীয় রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ কোটি ৮০ লাখ ৪১ হাজার ২৮ টাকা। তবে যুবরাজের মালিক এখনই তাকে বেচতে নারাজ।

আজ শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের মিরাট শহরে গবাদিপশু প্রদর্শনী (অল ইন্ডিয়া ক্যাটেল শো) অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ১০ বিচারকের রায়ে যুবরাজ প্রদর্শনীর অন্য সব গবাদিপশুকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়েছে।
যুবরাজকে নিজের ছেলের মতোই লালন-পালন করেন এর মালিক করমভীর সিং। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর যুবরাজের মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ রুপি আয় হয়। জীবনে সবকিছু টাকার উদ্দেশ্যে নয়।’
করমভীর জানান, দৈনিক ২০ লিটার দুধ পান করে যুবরাজ। পাশাপাশি পাঁচ কেজি আপেল ও উন্নতমানের পশুখাদ্য খায়। দিনে চার কিলোমিটার পথ হাঁটে সে। যুবরাজের পেছনে তাঁর মাসে ২৫ হাজার রুপির মতো ব্যয় হয়। তিনি বলেন, ‘চন্ডিগড়ের এক কৃষক যুবরাজকে কিনতে সাত কোটি রুপি দাম হেঁকেছিল। কিন্তু আমি যুবরাজকে এখন বিক্রি করতে প্রস্তুত নই।’
ভারতের সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী রবিন্দর সাংভান জানান, মুর্রাহ প্রজাতির এই মহিষটি উচ্চ উৎপাদনের জন্য বিশ্বখ্যাত। এর উৎস মূলত হরিয়ানা রাজ্যের রোহটাক ও জিন্দ জেলায়। তবে উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলেও এ জাতের মহিষের দেখা মেলে। তিনি বলেন, যুবরাজের শরীর থেকে প্রতিদিন ৩.৫ থেকে ৫ মিলিলিটার পর্যন্ত শুক্রবীজ সংগ্রহ করা হয়। পানি মিশিয়ে এই পরিমাণকে ৩৫ মিলিলিটার পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
একটি মাদি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য মাত্র ০.২৫ মিলিলিটার শুক্রবীজের দরকার হয়। যুবরাজের শুক্রাণু দিয়ে একটি মহিষের কৃত্রিম প্রজননের জন্য নেওয়া হয় দেড় হাজার রুপি। সে হিসাবে যুবরাজের মালিক সহজেই মাসে ২ লাখ ১০ হাজার রুপি আয় করতে পারেন।