Showing posts with label হরতাল. Show all posts
Showing posts with label হরতাল. Show all posts

Wednesday, December 31, 2014

৪৮ ঘণ্টার হরতাল চলছে, রাজধানীতে লরিতে আগুন

বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতাল। হরতালের সমর্থনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঝটিকা মিছিল বের করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। ভোরে রাজধানীর গে-ারিয়া এলাকায় একটি লরিতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে হরতালের প্রথম তিন ঘণ্টায় তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে ভোর থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। রাজধানীর সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার কোন বাস ছেড়ে যায়নি। রাজধানীর সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি খুব একটা দেখা যায়নি। তবে অল্প সংখ্য গণপরিবহন, অটোরিকশা ও রিকশা চলছে। তবে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। উল্লেখ্য, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে বুধ ও বৃহস্পতিবার ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডাকে দলটি।

Tuesday, December 30, 2014

২ দিনের হরতাল ডেকেছে জামায়াত

দলের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদ-ের আদেশের পর দুই দিনের হরতাল ডেকেছে জামায়াত। আজহারকে ‘পরিকল্পিতভাবে হত্যার সরকারি ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে এ হরতাল ডাকা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে জামায়াত। এতে বলা হয়েছে, আগামীকাল ভোর ছয়টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত হরতাল চলবে। একইভাবে পরের দিন ভোর ছয়টা থেকে বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত হরতাল থাকবে। এ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ী, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ  এক বিবৃতিতে বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে। সরকারের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের শিকার জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম। সরকার মিথ্যা, বায়বীয় ও কাল্পনিক অভিযোগে জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে নিজেদের দলীয় লোকদের দ্বারা আদালতে মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদান করে। আদালত সরকারের দায়ের করা মিথ্যা মামলায়, সাজানো সাক্ষীর ভিত্তিতে আজ তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের যে রায় ঘোষণা করেছেন তা একটি ন্যায়ভ্রষ্ট রায়। এ রায়ে জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম ন্যায়বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে আপীল করবেন। উচ্চ আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করলে তিনি খালাস পাবেন বলে আমরা গভীরভাবে বিশ্বাস করি।
সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য বিচারের নামে যে প্রহসনের আয়োজন করেছে, দেশে-বিদেশে তার কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। সরকারের মন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের বক্তব্যে প্রতীয়মান হয় যে, আদালতের বিচার কার্যক্রম সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের প্রতিবাদ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচী সরকারী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে। আর সরকারের যে কোন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। সরকার ট্রাইব্যুনালে পরিচালিত বিচার কার্যক্রমকে নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার বিচারের নামে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার জন্য যে ষড়যন্ত্র করছে তা জনগণ নিরবে মেনে নিতে পারে না।

Monday, December 29, 2014

মালিবাগে জামায়াতের মিছিলে আওয়ামী লীগের হামলা

রাজধানীর মালিবাগে ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালের সমর্থনে  জামায়াত-শিবিরের মিছিলে হামলা করেছে আওয়ামী লীগ ও পুলিশ। সোমবার সকাল ৮টার দিকে মিছিলটি আবুল হোটেলের সামনে গেলে আওয়ামী লীগের কর্মীর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার প্রাক্কালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে চৌধুরীপাড়া শহীদি মসজিদের সামনে থেকে শাতাধিক জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মী একটি মিছিল নিয়ে আবুল হোটেলের দিকে এগিয়ে আসে। এসয় সেখানে অবস্থান করা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এসময় পাঁচজন আহত  হয়েছেন।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা জানান, মানুষের জানমাল রক্ষার্থে আওয়ামী লীগের কর্মীরা আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করছিল। জামায়াত-শিবির একটি মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে পাল্টা  প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। পুলিশ সেখান থেকে ৪ পথচারীকে আটক করে।
রমনা থানা পুলিশের এসআই একে আজাদ জানান, চৌধুরীপাড়া এলাকায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাউকে আটক করার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

বিক্ষোভ-সংঘর্ষে চলছে ২০ দলীয় জোটের হরতাল

বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল-পিকেটিংয়ে সারাদেশে চলছে ২০ দলীয় জোটের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। সোমবার সকালে হরতালের শুরুতে রাজধানীর মিরপুর, খিলগাঁওয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে বিএনপি জামায়াত কর্মীদের।মালিবাগে জামায়াত-শিবিরের মিছিলে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে জামায়াত কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। এছাড়া চট্টগ্রামের মেহেদিবাগে হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশের বাধাকে কেন্দ্র করে  সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় অন্তত ১০টি যানবাহন ভাংচুর করা হয়েছে। গাজীপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের সমাবেশস্থলে ১৪৪ ধারা জারির প্রতিবাদ ও বিএনপিসহ জোটের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে গত শনিবার ২০ দলীয় জোট এ হরতাল আহ্বান করে। হরতালে রাজধানীতে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তুলেছে। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশি সতর্ক প্রহরা রয়েছে। এছাড়া বিজিবিসহ র‌্যাব-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতার মধ্যেও বিএনপি ও জামায়াত কর্মীরা রাজধানীর খিলগাঁও, পল্টন, মিরপুর, মগবাজার, মালিবাগসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মিছিল করেছে। মিরপুরের পল্লবি এলাকায় মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।
এছাড়া খিলগাঁওয়ে শিবিরের মিছিলে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এসময় উভয় পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে শিবির কর্মী সন্দেহে পুলিশ দুজনকে আটক করে। পল্টন এলাকা থেকে সকাল ৯টার দিকে সন্দেহভাজন দুজন আটক করে পুলিশ।
হরতালে রাজধানীতে ব্যক্তিগত যান চলাচল বন্ধ। কিছু গণপরিবহণ চলাচল করতে দেখা গেছে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রী কম থাকায় নির্ধারিত সময়ের পরে ছেড়ে যেতে দেখা যায়।
এছাড়া গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে দূরপাল্লার কোন বাস ছেড়ে যায়নি। একই সঙ্গে ঢাকায় দূরপাল্লার কোন বাস প্রবেশ করেনি।
এদিকে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্ল, নাটোরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশের ধাওয়ার ঘটনায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
আমাদের প্রতিনিধিরা জানায়, হরতালে দূরপাল্লার ও আভ্যন্তরিণ কোন যান চলাচল করছে না। কিছু কিছু দোকান-পাট খুললেও বেশীর ভাগ ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

Friday, November 7, 2014

শেষ দিনেও নিরুত্তাপ হরতাল

জামায়াতের ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের শেষ দিনেও কোনো উত্তাপ ছিল না। অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে এ কর্মসূচি। তবে হরতালের কারণে দেশের অর্থনীতি মারাÍক ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রতিদিনের হরতালে কয়েকশ কোটির টাকার ক্ষতি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। হরতালে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবহন বন্ধ থাকায় তৈরি পোশাকও সময়মতো রফতানি করা যায়নি। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বারবার হরতাল না দেয়ার দাবি তোলা হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা আমলেই নিচ্ছে না। হরতালের কবলে পড়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ইতিমধ্যে জেএসসি ও জেডিসির বেশ কয়েকটি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারা দেশে কয়েকটি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ, ঝটিকা মিছিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল জামায়াত-শিবিরের কার্যক্রম। যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল সতর্ক অবস্থানে। সারা দেশ থেকে শতাধিক জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে উচ্চ আদালতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা ও দলটির কর্মপরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে বুধবার ভোর থেকে আজ ভোর পর্যন্ত এ হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি।সকাল থেকে রাজধানীতে যানবাহনের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বাড়তে থাকে। দুপুরের পর রাজধানীর অনেক স্থানে যানজট লক্ষ্য করা যায়। রাজধানীর অলি-গলির দোকানপাট ছিল খোলা। দুপুরের পর বড় বড় শপিংমলও খুলতে থাকে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও রাজধানী থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমাসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠাগুলোর কার্যক্রম ছিল স্বাভাবিক।হরতালের প্রথম প্রহরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। দুপুরে ধানমণ্ডিতে হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় ৫ জন আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে। বাড্ডায় মিছিল সমাবেশ করে জামায়াত-শিবির। এছাড়া তেজগাঁও কলেজ ও মহাখালীতে ছাত্রশিবির মিছিল বের করে। এ সময় শিবিরের ক্যাডাররা রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে আতংক সৃষ্টি করে।সারা দেশে হরতাল : দেশের বিভিন্ন স্থানে ঢিলেঢালাভাবে হরতাল শেষ হয়েছে। এ সময় জামায়াত-শিবিরের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। যুগান্তর ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-বরিশাল : ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গড়িয়ারপাড় এলাকায় প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে পিকেটাররা। পরে নতুনবাজার এলাকায় একটি মিছিল বের করা হয়। এ সময় ধাওয়া করে জামায়াত-শিবিরের দুজনকে আটক করে পুলিশ। দূরপাল্লার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। অভ্যন্তরীণ রুটে বাস ও লঞ্চ চলাচল করলেও যাত্রী সংখ্যা কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে দোকানপাট খুলতে শুরু করে। অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা এবং স্কুল-কলেজ যথারীতি খুলেছে।চট্টগ্রাম : দেওয়ান বাজার এলাকায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের হরতালবিরোধী মিছিলে গুলিবর্ষণ হয়েছে। ছাত্রলীগ এজন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করেছে। তবে সিএমপির কোতোয়ালি থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম জানান, মিছিলে কেউ হামলা বা গুলি করেনি। ছাত্রলীগের দুগ্র“পের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার জের ধরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। নগরীতে দোকানপাট ছিল খোলা। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে দূরপাল্লার যানবাহন তেমন একটা চলাচল করেনি। নগরী ও জেলায় পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে বিজিবি।সিলেট : বুধবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে নাশকতা চালিয়েছে জামায়াত-শিবির। তারা ২০-২৫টি যানবাহন ভাংচুর ও একটি প্রাইভেট কারে আগুন দিয়েছে। শাহপরাণ এলাকায় হরতাল সমর্থকদের ঢিলের আঘাতে আহত হয়েছেন এক অটোরিকশা চালক। বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর শিবগঞ্জে একটি সিএনজি অটোরিকশায় আগুন ধরিয়ে দেয় জামায়াত-শিবির কর্মীরা।রাজশাহী : সকাল ৭টার দিকে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডলের নেতৃত্বে নগরীর মনিচত্বর থেকে হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। হেতেমখাঁ এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৭ জনকে আটক করা হয়েছে।বগুড়া : শহরতলির সাবগ্রাম, চারমাথা ও ছিলিমপুর এলাকায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে। বুধবার পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল হামলার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের ৯২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কাহালুর বাবলাতলা এলাকায় পুলিশ শিবিরের চার সভাপতিসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।গাজীপুর : হরতালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলায় বিএনপি ও জামায়াতের ৮৫ জনের নামোল্লেখসহ ৩৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মোট ১২২ জনের নামে মামলা হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মীসহ ৪১ জনকে আটক করেছে।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় : হরতালের কারণে পরিবহননির্ভর এ ক্যাম্পাসের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ছিল বন্ধ। এতে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।বরগুনা ও বামনা : উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি বোমা ও বোমা তৈরির উপকরণসহ বামনায় ৩ জামায়াতকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে ফেরিঘাট এলাকা থেকে আবদুল লতিফ ওরফে বাবুল ও গিয়াস উদ্দীন এবং বৃহস্পতিবার সকালে লিটনকে আটক করে পুলিশ।কলাপাড়া : বুধবার রাতে কুয়াকাটা সৈকত থেকে মিরাজ নামে এক শিবিরকর্মীকে আটক করে কুয়াকাটা নৌপুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ সময় তার ব্যাগ থেকে লিফলেট ও জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।মানিকগঞ্জ : ঘিওর ও সিংগাইর থেকে জামায়াত এবং বিএনপির ৩ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। তারা হল- রশিদ, শুকুর আলী ও ইসমাইল হোসেন।কুলাউড়া : হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির। এ সময় উপজেলা জামায়াতের আমীর আবদুল বারীসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।নোয়াখালী : সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া বাজারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় উভয় গ্র“পের ২০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ ৫০/৬০ রাউন্ড টিয়ার শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।