Monday, November 10, 2014
এখনও দুই ভাগ ইসরাইল
এখনও দুই ভাগ ইসরাইল
* অধিকাংশ ইসরাইলির কাছে ইয়াসির আরাফাত
সন্ত্রাসবাদের প্রতিমূর্তি হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসরাইলি মনে করেন তিনিই
একমাত্র নেতা যিনি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার সাহস
রাখতেন
* ফিলিস্তিনের সব জনগণের ওপর ইয়াসির আরাফাতের কর্তৃত্ব ছিল। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখতেন। তার সময়ের বাস্তবতা এখন আর নেই
* ইয়াসির আরাফাত একজন সন্ত্রাসী। তিনি একজন বক্র নেতা। সংঘাতের চূড়ান্ত সমাধানের জন্য তিনি কখনও প্রস্তুত ছিলেন না
* ইয়াসির আরাফাত একজন মহান নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন বাস্তবিক বিপ্লবী, যিনি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন
যুগান্তর ডেস্ক
স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের সংগ্রামের প্রতীক পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাতের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল মঙ্গলবার। মৃত্যুর এক দশক পরও ইহুদিবাদী ইসরাইলিদের বিভক্ত করে রেখেছেন তিনি। অধিকাংশ ইসরাইলির কাছে ইয়াসির আরাফাত সন্ত্রাসবাদের প্রতিমূর্তি হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসরাইলি মনে করেন তিনিই একমাত্র ফিলিস্তিনি নেতা যিনি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার সাহস রাখতেন। ইয়াসিরের মৃত্যুর মধ্য দিয়েই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ২০০৪ সালের ১১ নভেম্ববর ইয়াসির আরাফাত ফ্রান্সের একটি হাসপাতালে মারা যান। বলা হয়ে থাকে তার মৃত্যুতে ইসরাইলের হাত আছে। রোববার এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াসির আরাফাতের মৃত্যুর মাধ্যমে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ অনেকটাই রুদ্ধ হয়ে গেছে। তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি প্রথম দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কথা বলেছিলেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটাই হতে পারত সবচেয়ে ভালো সমাধান। তৎকালীন ফিলিস্তিনবিষয়ক ছয় মার্কিন সেক্রেটারির উপদেষ্টা ডেভিড মিলার বলেন, ‘ফিলিস্তিনের সব জনগণের ওপর ইয়াসির আরাফাতের কর্তৃত্ব ছিল। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখতেন। তার সময়ের বাস্তবতা এখন আর নেই।’ দশকের পর দশক ধরে ইসরাইলের কোনো নাগরিক ইয়াসির নেতৃত্বাধীন পিএলও’র সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হতে হতো! কিন্তু ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে এই রাজনৈতিক সংগঠনের বৈধতার ফলে পরিস্থিতি পাল্টে গেল। এরপরই ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইজহাক রাবিন ও শিমন পেরেজের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
ইসরাইলের তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা উজি দায়ান বলেন, ‘ইয়াসির আরাফাত একজন সন্ত্রাসী। তিনি একজন বক্র নেতা। সংঘাতের চূড়ান্ত সমাধানের জন্য তিনি কখনও প্রস্তুত ছিলেন না।’ তিনি বলেন, ইয়াসিরের চিন্তা-ভাবনা শান্তির জন্য যথাযথ ছিল না। ইসরাইলিরা এটা গ্রহণ করে না। অন্যদিকে, তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় নিরাপত্তা ইন্সটিটিউটের গবেষণা পরিচালক আনাত কুরজ বলেন, ‘আমি মনে করি ইয়াসির আরাফাত একজন মহান নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন বাস্তবিক বিপ্লবী, যিনি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন। শিমন পেরেজ শান্তি কেন্দ্রের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উরি সাবির বলেন, আমি সেইসব গুটিকয়েক ইসরাইলির একজন, যার কাছে ইয়াসির আরাফাতের কোনো নেতিবাচক ইমেজ নেই। কিন্তু হামাসের বিপজ্জনক কৌশল তিনি বুঝতে পারতেন না।’
আব্বাস ইয়াসিরের মতো নয় : এখনকার ইসরাইলিরা মনে করেন, পিএলও’র বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদ আব্বাসের তুলনায় ইয়াসির আরাফাতই ভালো ছিলেন। ইয়াসিরের মুত্যুতে ইসরাইল আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সাবির বলেন, ‘ইয়াসিরের মতো আব্বাসের সমন্বয় সাধনের যোগ্যতা নেই।’ তিনি বলেন, আব্বাস বেশ আধুনিক, পশ্চিমা চরিত্র আছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অযোগ্য।’
* ফিলিস্তিনের সব জনগণের ওপর ইয়াসির আরাফাতের কর্তৃত্ব ছিল। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখতেন। তার সময়ের বাস্তবতা এখন আর নেই
* ইয়াসির আরাফাত একজন সন্ত্রাসী। তিনি একজন বক্র নেতা। সংঘাতের চূড়ান্ত সমাধানের জন্য তিনি কখনও প্রস্তুত ছিলেন না
* ইয়াসির আরাফাত একজন মহান নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন বাস্তবিক বিপ্লবী, যিনি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন
যুগান্তর ডেস্ক
স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের সংগ্রামের প্রতীক পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাতের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল মঙ্গলবার। মৃত্যুর এক দশক পরও ইহুদিবাদী ইসরাইলিদের বিভক্ত করে রেখেছেন তিনি। অধিকাংশ ইসরাইলির কাছে ইয়াসির আরাফাত সন্ত্রাসবাদের প্রতিমূর্তি হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসরাইলি মনে করেন তিনিই একমাত্র ফিলিস্তিনি নেতা যিনি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার সাহস রাখতেন। ইয়াসিরের মৃত্যুর মধ্য দিয়েই মূলত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ২০০৪ সালের ১১ নভেম্ববর ইয়াসির আরাফাত ফ্রান্সের একটি হাসপাতালে মারা যান। বলা হয়ে থাকে তার মৃত্যুতে ইসরাইলের হাত আছে। রোববার এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াসির আরাফাতের মৃত্যুর মাধ্যমে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ অনেকটাই রুদ্ধ হয়ে গেছে। তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি প্রথম দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কথা বলেছিলেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এটাই হতে পারত সবচেয়ে ভালো সমাধান। তৎকালীন ফিলিস্তিনবিষয়ক ছয় মার্কিন সেক্রেটারির উপদেষ্টা ডেভিড মিলার বলেন, ‘ফিলিস্তিনের সব জনগণের ওপর ইয়াসির আরাফাতের কর্তৃত্ব ছিল। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখতেন। তার সময়ের বাস্তবতা এখন আর নেই।’ দশকের পর দশক ধরে ইসরাইলের কোনো নাগরিক ইয়াসির নেতৃত্বাধীন পিএলও’র সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হতে হতো! কিন্তু ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির মাধ্যমে এই রাজনৈতিক সংগঠনের বৈধতার ফলে পরিস্থিতি পাল্টে গেল। এরপরই ইসরাইলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইজহাক রাবিন ও শিমন পেরেজের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
ইসরাইলের তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা উজি দায়ান বলেন, ‘ইয়াসির আরাফাত একজন সন্ত্রাসী। তিনি একজন বক্র নেতা। সংঘাতের চূড়ান্ত সমাধানের জন্য তিনি কখনও প্রস্তুত ছিলেন না।’ তিনি বলেন, ইয়াসিরের চিন্তা-ভাবনা শান্তির জন্য যথাযথ ছিল না। ইসরাইলিরা এটা গ্রহণ করে না। অন্যদিকে, তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় নিরাপত্তা ইন্সটিটিউটের গবেষণা পরিচালক আনাত কুরজ বলেন, ‘আমি মনে করি ইয়াসির আরাফাত একজন মহান নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন বাস্তবিক বিপ্লবী, যিনি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে ফিলিস্তিনকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন। শিমন পেরেজ শান্তি কেন্দ্রের সহ-প্রতিষ্ঠাতা উরি সাবির বলেন, আমি সেইসব গুটিকয়েক ইসরাইলির একজন, যার কাছে ইয়াসির আরাফাতের কোনো নেতিবাচক ইমেজ নেই। কিন্তু হামাসের বিপজ্জনক কৌশল তিনি বুঝতে পারতেন না।’
আব্বাস ইয়াসিরের মতো নয় : এখনকার ইসরাইলিরা মনে করেন, পিএলও’র বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদ আব্বাসের তুলনায় ইয়াসির আরাফাতই ভালো ছিলেন। ইয়াসিরের মুত্যুতে ইসরাইল আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সাবির বলেন, ‘ইয়াসিরের মতো আব্বাসের সমন্বয় সাধনের যোগ্যতা নেই।’ তিনি বলেন, আব্বাস বেশ আধুনিক, পশ্চিমা চরিত্র আছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অযোগ্য।’
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
Recent Posts
Popular Posts
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
বহুল আলোচিত সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২৪ পলাতক আসামির বিরুদ...
-
আসন্ন পৌর নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি অথর্ব, আজ্ঞাবহ ...
-
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলনকে (৫৩) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শ...
-
আইকন খেলোয়াড়ের তালিকায় নাম ছিল না তার। তবে সাকিব আল হাসানের উচ্চতাটা প্রকাশ পেলো পরিষ্কারই। লটারির প্রথম পর্ব ছিল পাঁচ আইকন খেলোয়াড়কে নিয়ে...
-
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। খুব সম্ভবত এ কথাটি বাংলাদেশের মানুষের জন্যই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। রো...
-
অবশেষে জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। সব ধরনের ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনি। ফিফার এথিক্স কমিটির ত...
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
আবার ‘স্টার ওয়ারস’। আবার সেই ভয়াবহ যুদ্ধ। দুনিয়াজোড়া লাখো সিনেমাপ্রেমীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দায় এসেছে ‘স্টার ওয়ারস’ সিরিজের নতুন ছবি ‘...
-
মিস ইউনিভার্স বিতর্ক ক্রমেই বড় আকার ধারণ করছে। এবারে আরেক প্রতিযোগী মিস জার্মানি তার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, মিস কলোম্বিয়...

No comments:
Post a Comment