Monday, November 10, 2014
ষোড়শ সংশোধনী কেন সংবিধান পরিপন্থী নয়
ষোড়শ সংশোধনী কেন সংবিধান পরিপন্থী নয়
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে
গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ রোববার এ রুল জারি করেন।দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও আইন সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আদালত ২৬ নভেম্বর প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে দিয়েছেন।১৭ সেপ্টেম্বর রাতে সংসদে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল-২০১৪ পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে ৪০ বছর পর সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ন্যস্ত হয়। বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও বিলের পক্ষে ভোট দেয়। এরপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন শেষে ২২ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন-২০১৪র গেজেট জারি হয়। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন-২০১৪র বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৫ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের নয়জন আইনজীবী রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটকারীরা হলেন- অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, ইমরুল কাউসার, মামুন আলিম, এখলাস উদ্দিন ভুঁইয়া, সারওয়ার আহাদ চৌধুরী, মাহবুবুল ইসলাম, নুরুল ইনাম বাবুল, শাহীন আরা লাইলী ও রিপন বাড়ৈই। রিট আবেদনটির শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।শুনানিতে মনজিল মোরসেদ বলেন, একটি রিট মামলায় সুপ্রিমকোর্ট সামরিক আইন ও বিধিবিধান বাতিল করলেও সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে বিচারক অপসারণসংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের বিধান সংরক্ষণ করা হয়েছে। সংবিধান পুনর্মুদ্রণের মাধ্যমে তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই বিচারক অপসারণের বিধান সংশোধন করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল পাস হয়।তিনি বলেন, কোনো সংশোধনী আনার জন্য বা আইন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়তা থাকতে হয়। আগের আইনে ত্র“টি থাকতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কোনোটাই ছিল না। বিশেষ কোনো কারণে এই সংশোধনী আনা হতে পারে। মনজিল মোরসেদ ব্যাখ্যা করে বলেন, গত এক বছরে সাম্প্রতিককালে পাসকৃত আদালত অবমাননার আইন ও দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশোধনী বাতিল করে দেন সুপ্রিমকোর্ট। এমনকি নারায়ণগঞ্জের খুনের ঘটনায় আসামি গ্রেফতারের নির্দেশও দেন আদালত। এসব কারণে প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার প্রয়াস হতে পারে এবং এ ধরনের সংশোধনী আনা হতে পারে। তিনি রুল জারির জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু এই রুল জারির বিরোধিতা করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন।সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। ৭২র সংবিধানে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে ন্যস্ত হয়েছিল। এরপর সামরিক ফরমানের দ্বারা পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে ন্যস্ত হয়। প্রধান বিচারপতি ও আপিল বিভাগের অপর দুজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি নিয়ে জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠিত হয়।২০১২ সালে সড়ক ভবনকে কেন্দ্র করে আদালতের একটি রায় নিয়ে সংসদে বিরূপ সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একজন বিচারক সংসদ ও স্পিকারকে নিয়ে মন্তব্য করলে সেই সময় সংসদ সদস্যদের অনেকেই বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনার দাবি তোলেন। এ নিয়ে স্পিকার পরে একটি রুলিংও দেন। সেই রুলিং আবার হাইকোর্ট অকার্যকর ও ভিত্তিহীন ঘোষণা করে রায় দেন। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় র্যাব সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য হাইকোর্ট নির্দেশ দিলে আবারও নির্বাহী বিভাগ থেকে সমালোচনা আসে। এর কিছুদিন পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হয়।পাস হওয়া বিলে ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে দফা ২-এ বলা হয়, প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের প্রস্তাবক্রমে রাষ্ট্রপতির আদেশে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ করা যাবে। ৩ দফায় বলা হয়, সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব-সম্পর্কিত এবং বিচারকের অসদাচরণ ও অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ৪ দফায় বলা হয়, কোনো বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করতে পারবেন। এই সংশোধনীর পর দেশের শীর্ষ আইনজীবীসহ নানা মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর দেড় মাসেরও বেশি সময় পর হাইকোর্ট সংশোধনীটির বৈধতা ও সাংবিধানিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করলেন।
গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ রোববার এ রুল জারি করেন।দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও আইন সচিবকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আদালত ২৬ নভেম্বর প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে দিয়েছেন।১৭ সেপ্টেম্বর রাতে সংসদে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল-২০১৪ পাস হয়। এর মধ্য দিয়ে ৪০ বছর পর সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ন্যস্ত হয়। বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও বিলের পক্ষে ভোট দেয়। এরপর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন শেষে ২২ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন-২০১৪র গেজেট জারি হয়। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইন-২০১৪র বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৫ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের নয়জন আইনজীবী রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটকারীরা হলেন- অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, ইমরুল কাউসার, মামুন আলিম, এখলাস উদ্দিন ভুঁইয়া, সারওয়ার আহাদ চৌধুরী, মাহবুবুল ইসলাম, নুরুল ইনাম বাবুল, শাহীন আরা লাইলী ও রিপন বাড়ৈই। রিট আবেদনটির শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।শুনানিতে মনজিল মোরসেদ বলেন, একটি রিট মামলায় সুপ্রিমকোর্ট সামরিক আইন ও বিধিবিধান বাতিল করলেও সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে বিচারক অপসারণসংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের বিধান সংরক্ষণ করা হয়েছে। সংবিধান পুনর্মুদ্রণের মাধ্যমে তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করেই বিচারক অপসারণের বিধান সংশোধন করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল পাস হয়।তিনি বলেন, কোনো সংশোধনী আনার জন্য বা আইন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়তা থাকতে হয়। আগের আইনে ত্র“টি থাকতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কোনোটাই ছিল না। বিশেষ কোনো কারণে এই সংশোধনী আনা হতে পারে। মনজিল মোরসেদ ব্যাখ্যা করে বলেন, গত এক বছরে সাম্প্রতিককালে পাসকৃত আদালত অবমাননার আইন ও দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশোধনী বাতিল করে দেন সুপ্রিমকোর্ট। এমনকি নারায়ণগঞ্জের খুনের ঘটনায় আসামি গ্রেফতারের নির্দেশও দেন আদালত। এসব কারণে প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করার প্রয়াস হতে পারে এবং এ ধরনের সংশোধনী আনা হতে পারে। তিনি রুল জারির জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু এই রুল জারির বিরোধিতা করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন।সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। ৭২র সংবিধানে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে ন্যস্ত হয়েছিল। এরপর সামরিক ফরমানের দ্বারা পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে ন্যস্ত হয়। প্রধান বিচারপতি ও আপিল বিভাগের অপর দুজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি নিয়ে জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠিত হয়।২০১২ সালে সড়ক ভবনকে কেন্দ্র করে আদালতের একটি রায় নিয়ে সংসদে বিরূপ সমালোচনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একজন বিচারক সংসদ ও স্পিকারকে নিয়ে মন্তব্য করলে সেই সময় সংসদ সদস্যদের অনেকেই বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনার দাবি তোলেন। এ নিয়ে স্পিকার পরে একটি রুলিংও দেন। সেই রুলিং আবার হাইকোর্ট অকার্যকর ও ভিত্তিহীন ঘোষণা করে রায় দেন। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় র্যাব সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য হাইকোর্ট নির্দেশ দিলে আবারও নির্বাহী বিভাগ থেকে সমালোচনা আসে। এর কিছুদিন পরে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হয়।পাস হওয়া বিলে ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে দফা ২-এ বলা হয়, প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যরে কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের প্রস্তাবক্রমে রাষ্ট্রপতির আদেশে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ করা যাবে। ৩ দফায় বলা হয়, সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব-সম্পর্কিত এবং বিচারকের অসদাচরণ ও অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ৪ দফায় বলা হয়, কোনো বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করতে পারবেন। এই সংশোধনীর পর দেশের শীর্ষ আইনজীবীসহ নানা মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এর দেড় মাসেরও বেশি সময় পর হাইকোর্ট সংশোধনীটির বৈধতা ও সাংবিধানিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করলেন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
Recent Post of WikiBangla.Net
Recent Posts
Popular Posts
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
বহুল আলোচিত সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২৪ পলাতক আসামির বিরুদ...
-
আসন্ন পৌর নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বলেছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি অথর্ব, আজ্ঞাবহ ...
-
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলনকে (৫৩) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শ...
-
আইকন খেলোয়াড়ের তালিকায় নাম ছিল না তার। তবে সাকিব আল হাসানের উচ্চতাটা প্রকাশ পেলো পরিষ্কারই। লটারির প্রথম পর্ব ছিল পাঁচ আইকন খেলোয়াড়কে নিয়ে...
-
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। খুব সম্ভবত এ কথাটি বাংলাদেশের মানুষের জন্যই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। রো...
-
অবশেষে জল্পনা-কল্পনার অবসান হলো। সব ধরনের ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনি। ফিফার এথিক্স কমিটির ত...
-
সিলেটবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন টিউলিপ সিদ্দিকী। বৃটেনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পক্ষে কাজ করায় টিউলিপ এ কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় তিনি ব...
-
আবার ‘স্টার ওয়ারস’। আবার সেই ভয়াবহ যুদ্ধ। দুনিয়াজোড়া লাখো সিনেমাপ্রেমীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দায় এসেছে ‘স্টার ওয়ারস’ সিরিজের নতুন ছবি ‘...
-
মিস ইউনিভার্স বিতর্ক ক্রমেই বড় আকার ধারণ করছে। এবারে আরেক প্রতিযোগী মিস জার্মানি তার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, মিস কলোম্বিয়...

No comments:
Post a Comment